You are currently viewing চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতার ভাই নিহত

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতার ভাই নিহত

চুয়াডাঙ্গার Jibannagar Upazila উপজেলার হাসাদাহ বাজারে Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) ও Bangladesh Jamaat-e-Islami নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে জামায়াতের এক ইউনিয়ন আমিরের ভাই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নিহত হাফিজুর রহমান (৫৫) স্থানীয় ‘ঢাকা জুয়েলার্স’-এর মালিক ও সুপরিচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিলেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কামিল মাদরাসা গেটের সামনে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ছোট ভাই ও বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান। তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া জামায়াতের আরও তিন কর্মী জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

অন্যদিকে বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছেন বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য অব্যাহতি পাওয়া নেতা মেহেদী হাসান ও তার বাবা জসীম উদ্দিন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠায়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জীবননগর থানার ওসি সোলাইমান শেখ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্বের বিরোধের জেরে ইফতারের পর বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। প্রায় ৪০–৪৫ মিনিট পর উভয়পক্ষের আরও নেতাকর্মী জড়ো হলে নতুন করে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় জামায়াত নেতা মফিজুর রহমানের ওপর হামলা হলে তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে তাদের কুপিয়ে আহত করে।

Leave a Reply