ইসরায়েল ও কুয়েতে স্থানীয় সময় রোববার ভোরে ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
এ হামলার মাত্র এক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে দেশটির ওপর বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
কুয়েত ও ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং ইরানের সর্বশেষ হামলা প্রতিহত করতে কাজ করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। চলমান সংঘাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। ওই সময় থেকেই ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাত এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরানি বাহিনী। পাশাপাশি উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর যেসব অর্থনৈতিক স্থাপনাকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রচেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মনে করছে তেহরান, সেগুলোতেও হামলা চালানো হচ্ছে।
তবে সংঘাত একতিমুখী নয়; পাল্টা আঘাতও অব্যাহত রয়েছে। ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পকেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
