You are currently viewing ইরানের প্রস্তাব পছন্দ নয় ট্রাম্পের, শান্তি আলোচনা অচল

ইরানের প্রস্তাব পছন্দ নয় ট্রাম্পের, শান্তি আলোচনা অচল

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। ফলে দুই মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধের সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

এই চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে। ইরানের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, আপাতত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রেখে আগে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা হোক এবং পারস্য উপসাগরে নৌ-চলাচল সংক্রান্ত বিরোধ মিটানো হোক। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, পারমাণবিক ইস্যু সমাধান ছাড়া কোনো চুক্তিতে তারা যাবে না।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গণমাধ্যমের মাধ্যমে দরকষাকষিতে আগ্রহী নয় এবং তারা ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে।

এদিকে শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা বড় ধাক্কা খায়, যখন ট্রাম্প তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর বাতিল করেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একাধিকবার ইসলামাবাদ সফর করে কূটনৈতিক তৎপরতা চালান এবং পরে রাশিয়া গিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তেলের বাজারে প্রভাব
যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ না থাকায় এশিয়ার বাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন অবরোধের মুখে অন্তত ছয়টি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। ইরান এই ঘটনাকে সমুদ্রে ‘জলদস্যুতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতিদিন ১২৫-১৪০টি জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করত, বর্তমানে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

Leave a Reply