You are currently viewing নির্বাচন ঠেকাতে ভয় দেখানোর কৌশল ব্যর্থ হবে: আমান

নির্বাচন ঠেকাতে ভয় দেখানোর কৌশল ব্যর্থ হবে: আমান

ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা সফল হবে না: আমান উল্লাহ আমান

ভয় দেখিয়ে নির্বাচন বানচালের যে কোনো অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা–২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার হরণে যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চায়, তারা শেষ পর্যন্ত সফল হবে না।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে হযরতপুর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত এক বিএনপি নেতার জানাজার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, যারা নির্বাচন চায় না এবং জনগণের ভোটাধিকারকে ভয় পায়, তারাই পরিকল্পিতভাবে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি রাজনৈতিক সন্ত্রাসেরই অংশ।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে জনগণ ভোটের অধিকার অর্জন করেছে। ভয় দেখিয়ে বা হত্যা করে সেই অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। আগামী ১২ জানুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জনগণ এই অপচেষ্টার উপযুক্ত জবাব দেবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, নিহত নেতা দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ছিলেন। তার রক্তের দায় সরকার ও প্রশাসন এড়াতে পারে না। বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। একই সঙ্গে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

জানাজায় অংশ নেওয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠ দমন করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

জানাজাকে কেন্দ্র করে হযরতপুর ও আশপাশের এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করে। মাঠ ও সংলগ্ন সড়কে মানুষের ঢল নামে। নিহত নেতার পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত নেতা এলাকায় একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক সংগঠক ছিলেন। তার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো এলাকার জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি।

কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জানাজা উপলক্ষে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।

এ সময় ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসান, সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক মনির, ঢাকা জেলা শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন আলী, যুবদল আহ্বায়ক হাজী আসাদুজ্জামান রিপন, সদস্য সচিব মো. রাকিবুল ইসলাম রুবেল, ছাত্রদল আহ্বায়ক হাজী সাইফুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply