শেষ মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়া স্কটল্যান্ডের সামনে ধরা দিয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জ। স্কোয়াডের কিছু খেলোয়াড়ের ভিসা প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি, দলের জন্য নতুন জার্সি এখনও হাতে আসেনি, এবং কোনো বড় স্পন্সরও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পেসার সাফিয়ান শরিফসহ কয়েকজন ক্রিকেটারের ভিসা দ্রুত কার্যকর করা প্রয়োজন।
তবুও দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেড আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা স্কটল্যান্ডের ভারত যাত্রায় বিলম্ব সৃষ্টি করবে না। বাংলাদেশ দলের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে শেষ মুহূর্তে সুযোগ পাওয়া স্কটল্যান্ডের ক্রিকেট কর্মকর্তারা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে আইসিসি স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় খেলার জন্য আইসিসির কাছে ম্যাচ সরানোর অনুরোধ করেছিল, যা প্রত্যাখ্যান করা হয়। এভাবে, অংশগ্রহণকারী নয় এমন দলগুলোর মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সবার ওপরে থাকা স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
লিন্ডব্লেড জানান, আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তার সঙ্গে ফোন যোগাযোগের পর থেকেই স্কটল্যান্ডের কর্মকর্তারা টুর্নামেন্ট প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। যদিও সময় স্বল্পতার কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, তিনি বলেন, “আমরা এই আমন্ত্রণ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত, পরিস্থিতি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং, তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সব খেলোয়াড়কে সময়মতো ভারত পাঠানো সম্ভব হবে।”
বিশ্বকাপ সামনে রেখে স্কটল্যান্ড দ্রুত একজন বড় স্পনসর খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং নতুন জার্সি সময়মতো হাতে পাওয়ার বিষয়েও আশাবাদী। লিন্ডব্লেড বলেন, “নতুন কিট পেলে ভালো, না পেলেও আমরা নিয়মিত ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের জার্সিতে খেলতে পারব। স্পনসর ঠিক করতে হাতে মাত্র সাত দিন আছে।”
টুর্নামেন্টে স্কটল্যান্ডকে মূলত বাংলাদেশের নির্ধারিত সূচি দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামবে স্কটল্যান্ড। লিন্ডব্লেড আশা প্রকাশ করেন, ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো কারণে উদ্বেগ হয়, তাহলে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে দেখা হবে।”
