সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজরা যেন আর অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে জন্য তাদের হাত কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ওয়াজির আলী হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “দুর্নীতিবাজদের হাতে ব্যান্ডেজ দিয়ে হাত মুঠ করে দেওয়া হবে, যাতে তারা ওই হাত দিয়ে আর জনগণের ক্ষতি করতে না পারে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি এসেছেন অতীতে যারা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণ করতে। একই সঙ্গে তিনি জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন—দেশ কি আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের পথে ফিরে যেতে চায়? তাঁর ভাষায়, দেশকে সেই পথে যেতে না দিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।
দুর্নীতি দমনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, চুরি ও দুর্নীতি বন্ধ করা গেলে মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই দেশের সামগ্রিক চিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব। তিনি আরও বলেন, যারা জনগণের অর্থ লুটপাট করেছে, তাদের কাছ থেকে সেই অর্থ উদ্ধার করে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
জনসভা শেষে ঝিনাইদহ জেলার জামায়াতের চারজন প্রার্থীর হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি উপস্থিত জনতার প্রতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
