You are currently viewing “গুপ্তরা এখন দমন-পীড়নের নতুন মুখ: তারেক রহমানের অভিযোগ”

“গুপ্তরা এখন দমন-পীড়নের নতুন মুখ: তারেক রহমানের অভিযোগ”

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচারী শাসনের মতোই এখন গুপ্ত পরিচয়ে থাকা একটি গোষ্ঠী নতুন জালেম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, যাদের কাছে দেশের নারী সমাজ নিরাপদ নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চলবে জনগণের রায়ের মাধ্যমে এবং আগামী ১২ তারিখ জনগণই নির্ধারণ করবে জবাবদিহিমূলক সরকার।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পরও স্বৈরাচারী শাসনের ভাষা ও আচরণ বন্ধ হয়নি। জনগণকে অপমান করা, ব্যক্তিগতভাবে হেয় করা এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যের যে সংস্কৃতি ছিল, তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। গুপ্ত পরিচয়ে থাকা এই গোষ্ঠী দেশের মানুষের কাছে নতুন জালেম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, এই গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করছেন। যাদের মধ্যে মা-বোনদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ নেই, তাদের কাছ থেকে দেশের মানুষের মর্যাদাশীল আচরণ আশা করা যায় না।

গুপ্তদের কুমিল্লার এক নেতার বক্তব্য উদ্ধৃত করে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে তুচ্ছ করে দেখার মানসিকতা তাদের বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এরা ক্ষমতায় গেলে জনগণের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। তাই গুপ্তদের বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তারেক রহমান দাবি করেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময় স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে গুপ্তদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ১৯৭১, ১৯৮৬, ১৯৯৬ এবং গত ১৫ বছর ধরেই তারা একই শাসন কাঠামোর অংশ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বরিশালের সমস্যার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নদীভাঙন এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সংকট। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ অসম্পন্ন উন্নয়নকাজ শেষ করতে জনগণকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে এসব সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

নারী সমাজকে অবহেলা করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, নারী ও পুরুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। গুপ্ত দলগুলোর নারীবিরোধী বক্তব্য তাদের বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতাই প্রকাশ করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Leave a Reply