You are currently viewing গণভোটকে সামনে রেখে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের বিশেষ উদ্যোগ

গণভোটকে সামনে রেখে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের বিশেষ উদ্যোগ

গণভোট ২০২৬: জনসচেতনতা বাড়াতে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ১২ দফা কর্মসূচি

আসন্ন ‘গণভোট ২০২৬’ উপলক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ

‘গণভোট ২০২৬, সংসদ নির্বাচন—দেশের চাবি আপনার হাতে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে বার্তা পৌঁছে দিতে ১২ দফা প্রচারণা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (তারিখ) কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

১২ দফা সচেতনতামূলক কর্মসূচি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহ—কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, নেকটার, বিএমটিটিআই, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গণভোট বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নিয়মিতভাবে গণভোটের গুরুত্ব, প্রক্রিয়া ও ভোটাধিকার বিষয়ক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দপ্তরের দৃশ্যমান স্থানে ব্যানার স্থাপন এবং ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক সভা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের উপস্থিতিতে ইতোমধ্যে পঞ্চগড়, নড়াইল, যশোর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর জেলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে বিশেষ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ জানায়, বর্তমানে সকল সরকারি যোগাযোগ ও প্রচার কার্যক্রমে গণভোটের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব ও সঠিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভোটারদের সচেতন করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

বিভাগটি বলছে, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সচেতনতামূলক প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহার করে নাগরিক দায়িত্ব পালনে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply